নির্বাচন সংক্রান্ত বিধিমালা

Introduction

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম

ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতি
“নির্বাচন সংক্রান্ত বিধিমালা-২০১৫ইং

-মুখবন্ধ-

পরম করুনাময় আল্লাহ তায়ালার নামে শুরু করছি৷ ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতি এবং এর নিয়ন্ত্রাধীন সকল তহবিল সমূহ এবং রাষ্টীয়, সামাজিক ও পেশাগত কর্মকান্ড সঠিক, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষনের জন্য অত্র সমিতির নিয়মিত সদস্যগণের মধ্য থেকে ১(এক) বছরের জন্য সমিতির সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণকারী পরিষদ অর্থাৎ “কার্য নির্বাহী পরিষদ” গঠনের লক্ষ্যে সাধারণ সদস্যগণ তাদের সুচিন্তিত মতামত একটি নির্ধারিত দিনে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে প্রকাশ করে থাকেন৷ উক্ত ভোটদান তথা নির্বাচন অনুষ্ঠানটি অধিকতর অবাধ সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিতামূলক সর্বোপরি যুগোপযোগি করার স্বার্থে অত্র সমিতির গঠনতন্ত্রের সাথে সংগতিপূর্ন ভাবে পৃথক একটি বিধিমালা প্রণয়ন করা একান্ত প্রয়োজন বোধ করায় বর্তমান “কার্য নির্বাহী পরিষদ” ও “গঠনতন্ত্র সংশোধন উপ-কমিটি” সর্বসম্মতভাবে নিম্নোজ্তভাবে “নির্বাচন সংক্রান্ত বিধিমালা”-২০১৫ সাধারণ সভায় ১১/১৫/২০১৫ তারিখে উপস্থাপন করিলে ১৮/১১/২০১৫ তারিখের সাধারণ সভায় সর্ব সম্মতভাবে অনুমোদিত হয় যাহা নির্বাচন সংক্রান্ত বিধিমালা ২০১৫ নামে প্রকাশ করেন ৷

Rule 1-4

বিধি নং-১। নামকরণঃ
ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির কার্য নির্বাহী পরিষদ গঠণের লক্ষে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ- সর্বোপরি ট্রান্পারেন্ট ভাবে পরিচালনার জন্য অনুসৃত বিধানাবলী “নির্বাচন সংক্রান্ত বিধিমালা” নামে অভিহিত হবে ৷

বিধি নং-২। নির্বাচন উপ পরিষদ গঠনঃ অত্র সমিতির গঠনতন্ত্রের ১৮(ঘ) ধারা মতে বিদ্যমান (Existing) কার্যকরী কমিটি কর্তৃক ৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন উপ পরিষদ গঠিত হবে |
তন্মধ্যে সিনিয়র সদস্য এই উপ-পরিষদের আহবায়ক তথা প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ৷ অপর ২(দুই)জন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন|

বিধি নং-৩। নির্বাচন উপ পরিষদ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমিতির কার্য নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন |

বিধি নং-৪। নির্বাচন উপ-পরিষদ ভোটার তালিকা সংক্রান্ত সকল প্রকার আপত্তি, নিস্পত্তিক্রমে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ৷

Rule 5-11

বিধি নং-৫। নির্বাচন উপ পরিষদ সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির অংশ গ্রহনে ইচ্ছুক প্রার্থীদের নিকট ছাপানো মনোনয়ন পত্র বিক্রী করবেন।

বিধি নং-৬। এই উপ পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী প্রার্থীদের মনোয়ন পত্র গ্রহণ করবেন এবং নির্দিষ্ট তারিখে প্রার্থীণণ বা তাদের অনুমোদিত প্রতিনিধির সামনে/ উপস্থিতিতে মনোয়ন পত্র বাছাই করবেন।

বিধি নং-৭। নির্বাচনী তফসিলে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অংশগ্রহণকারী যে কোন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের দরখাস্ত গ্রহণ করবেন।

বিধি নং- ৮। নির্বাচন উপ পরিষদ সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সর্ব প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক নির্ধারিত তারিখে নির্বাচন সম্পন্ন করবেন৷

বিধি নং- ৯। নির্বাচন উপ পরিষদ এর কোন সদস্য নির্বাচনে প্রার্থী কিংবা কোন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্রে প্রস্তাবক বা সমর্থক হতে অথবা নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নিতে পারবেন না ৷

বিধি নং- ১০। এই উপ পরিষদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার প্রস্তুত করবেন এবং ঐ ব্যালট সমূহের ০85!0080 হিসাবে উপ পরিষদের সকল সদস্য যৌথভাবে দায়ী থাকবেন।

বিধি নং-১১ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সূচীঃ
ক) প্রতি বছর জানুয়ারী মাসের শেষ সাপ্তাহিক ছুটির দিন কার্যনির্বহী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ তবে কোন ধর্মীয় বা জাতীয় উৎসব কিংবা কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ বা রাষ্রীয় গোলযোগের কারণে নির্ধারিত দিনে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব না হলে ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে |

খ) শনিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলবে ৷

গ) শুক্রবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ শেষে দুপুর ১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জুমার নামাজের জন্য ১ঘন্টা বিরতি দিয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে।

ঘ) বিশেষ কারনে নির্বাচন উপ-পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে ভোট গ্রহণের দিন তারিখ ও সময় নির্ধারন করতে পারবেন ৷

Rule 12-13

বিধি নং-১২।  কোন প্রার্থীর মৃত্যু জনিত কারণে অত্র সমিতির কার্য নির্বাহী পরিষদের নির্বাচন ১০ (দশ) দিন পর্যন্ত স্থগিত থাকবে এবং পরবর্তী ১০ (দশ) দিনের মধ্যে ঐ পদের জন্য তফসিল ঘোষণা পূর্বক সকল পদের জন্য একত্রে সাপ্তাহিক শেষ ছটির দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিধি নং- ১৩ ভোটার তালিকা প্রণয়নঃ

ক) জানুয়ারী মাসের ৭ (সাত) তারিখের মধ্যে অত্র সমিতির সকল দেনা পরিশোধ করার জন্য সাধারণ সম্পাদক তার কর্মকালীন বছরের ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে সদস্যগণকে নোটিশ প্রদান করবেন এবং জানুয়ারী মাসের ১০ (দশ) তারিখের মধ্যে কার্যকরী পরিষদের অনুমোদনকৃত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবেন।

খ) নির্বাচন উপ-পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত নির্বাচনী তফসিলের সাথে সংগতি রেখে কার্য নির্বাহী পরিষদ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করার জন্য ভোটার হওয়ার যোগ্য সদস্যগণের নাম সম্বলিত খসড়া ভোটার তালিকা নির্বাচন উপ পরিষদের নিকট প্রেরণ করবেন ৷

গ) ভোটার তালিকা সংক্রান্ত আপত্তি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের তারিখ থেকে ৩ (তিন) দিনের মধ্যে নির্বাচন উপ পরিষদের নিকট লিখিতভাবে দাখিল করতে হবে !

ঘ) নির্বাচন উপ পরিষদ কর্তৃক চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করার পর ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ গ্রহণ করা যাবে না এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা সংক্রান্ত নির্বাচন উপ পরিষদ এর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত মর্মে গণ্য হবে | তবে যাদের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় প্রকাশিত হয় নাই এমন কোন সদস্যের নাম চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পূর্বে সমিতির নোটিশ বইতে এবং নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করতে হবে যাতে সাধারণ সদস্যগণের আপত্তি দাখিলের সুযোগ থাকে ৷

ঙ) নির্বাচন উপ পরিষদ জানুয়ারী মাসের ১১ (এগার) তারিখের মধ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করবেন ৷

চ) নির্বাচনের অন্তত ১৪ (চৌদ্দ) দিন পূর্বে নির্বাচন উপ পরিষদ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবেন।

Rule 14-15

বিধি নং-১৪ মনোনয়ন পত্র এবং ব্যালট পেপারঃ

ক) নির্বাচনের তারিখের ১০ (দশ) দিন পূর্বে মনোনয়ন পত্র দাখিল করার তারিখ ধার্য রাখতে হবে ।

খ) নির্বাচন উপ পরিষদ কর্তৃক সরবরাহকৃত নির্ধারিত ফরমে মনোনয়ন পত্র সংশ্লিষ্ট প্রার্থী এবং তার প্রস্তাবক ও সমর্থকের স্বাক্ষর যুক্ত ভাবে নির্বাচন উপ পরিষদের নিকট তফসিলে উল্লিখিত ধার্য তারিখে জমা দিতে হবে৷

গ) মনোনয়নপত্র দাখিলের পরের দিন মনোয়ানপত্র বাছাই এবং তার পরের দিন চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ৷

ঘ) চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরবর্তী ২ (দুই) দিনের মধ্যে কোন প্রার্থী নির্বাচন উপ পরিষদের নিকট লিখিত দরখাস্ত দিয়ে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নিতে পারবেন।

ঙ) মনোনয়ন পত্র বিক্রীর টাকা নির্বাচন উপ পরিষদ কর্তৃক সমিতির সাধারণ তহবিলে জমা দিতে হবে।

চ) নির্বাচন উপ পরিষদ সমিতির বাজেটে নির্বাচনীয় ব্যয় বরাদ্দের টাকা মনোনয়ন পত্র এবং ব্যালট পেপার ছাপানো, চুড়ান্ত ভোটার তালিকা ও তফসিল ঘোষনা সংক্রান্ত সকল ব্যয় নির্বাহ করবেন।

ছ) সমিতির নির্বাচনের ব্যালট পেপার মোটা এবং সাদা কাগজের হতে হবে। কালো রংয়ের কালি দ্বারা ছাপানো উক্ত ব্যালট পেপারে প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দিতাকারী প্রার্থীদের মূল নামের আদ্যাক্ষর অনুযায়ী প্রার্থীদের নামের ক্রম সাজাতে হবে ৷ একই পদের বিপরীতে একই আদ্যাক্ষর বিশিষ্ট একাধিক প্রার্থী হলে সেক্ষেত্রে ওকালতনামার ক্রম অনুসরন করতে হবে ।

জ) একই ব্যালট পেপারে কার্যকরী কমিটির সকল পদের প্রতিদ্বন্দিতাকারী সকল প্রার্থীদের নামের তালিকা থাকতে হবে ৷

 

বিধি নং- ১৫ ভোট গ্রহণ পদ্ধতি ও ফলাফল ঘোষণাঃ

ক) নির্বাচন উপ পরিষদ কর্তৃক ছাপানো গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে!

খ) নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন উপ পরিষদ একজন বিচার বিভাগীয় (যুগ্ন জেলা জজ পদ মর্যাদার) প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ করবেন!

গ) প্রত্যেক ভোটার তার নাম ও ভোটার নম্বর উল্লেখ করে ব্যালট পেপারের মুড়িতে স্বাক্ষর করে ব্যালট পেপার গ্রহণ করবেন এবং তার পছন্দের প্রার্থীর নামের সামনে X (পূরণ) চিহ্ন দিয়ে ভোট প্রদান করবেন এবং যথা নিয়মে ব্যালট পেপার ভাজ করে প্রিজাইডিং অফিসারের সামনে রাখা ব্যালট বাক্সে ফেলবেন।

ঘ) বিশেষ কোন অবস্থার প্রেক্ষিতে নির্বাচন উপ পরিষদ অন্যবিধ নির্দেশ প্রদান না করলে ভোট গ্রহণ সকাল ১০.০০টা থেকে একটানা দুপুর ২.০০টা পর্যন্ত চলবে,
তবে শুক্রবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে দুপুর ১.০০টা হতে ২.০০টা পর্যন্ত জুমার নামাজের বিরতি দিয়া বিকাল ৪.০০টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে!

ঙ) ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হলেই তাৎক্ষমিকভাবে প্রিজাইডিং অফিসার নির্বাচন উপ পরিষদের সহযোগিতায় ভোট গননা সম্পন্ন করে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করবেন এবং ঐ সময়ে প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরিত চুড়ান্ত ফলাফলের কপি প্রার্থীদের কিংবা তাদের এজেন্টদের নিকট সরবরাহ করবেন ৷

চ) একই পদে দুইজন প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী সমান সংখ্যক ভোট পেলে প্রিজাইডিং অফিসার লটারীর মাধ্যমে একজনকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন !

ছ) প্রিজাইডিং অফিসার ও নির্বাচন উপ পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত নির্বাচনের ফলাফলই চুড়ান্ত মর্যে গণ্য হবে এবং তাদের গৃহীত কোন চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না !

জ) ব্যালট পেপারের কোন একটি পদের কিংবা একাধিক পদের ভোট কোন কারণে বাতিল হলে ঐ পদ বা পদসমূহ ব্যতীত সম্পূর্ণ ব্যালটির অন্যান্য পদ সমূহের ভোট বাতিল হবে না৷

ঝ) নির্বাচন উপ পরিষদের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে নির্বাচন সংক্রান্ত বিধিমালার পরিপন্থী যে কোন কার্যক্রমের কোন অভিযোগ প্রমাণিত হলে উক্ত অভিযুক্ত সদস্য পরবর্তী বছর ভোটার হতে পারবেন না এবং ঐ সদস্য আর কখনও নির্বাচন উপ পরিষদের সদস্য হতে পারবেন না৷

Rule 16-17

বিধি নং-১৬।  নির্বাচনী মালামালের ব্যবস্থাপনাঃ গঠনতন্রের পঞ্চম অধ্যায় ভুক্ত ২০ ধারা কার্যকর করতে হবে ৷

বিধি নং-১৭ ভোটার হওয়ার অযোগ্যতাঃ

নিম্নোক্ত যে কোন কারণে কোন সদস্য ভোটার হওয়ার অযোগ্য বলে গণ্য হবেন এবং নীচের যে কোন একটি কারণ বিদ্যমান থাকলে কার্যনির্বাহী পরিষদ বা নির্বাচন উপ পরিষদ কোন অবস্থাতেই ঐ সদস্যের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করতে পারবেন না —

ক) Deleted by Legal Practitioners and Bar Council (AMEND) Act 8 of 2011

খ) কোন সদস্য সরকারী, আধা-সরকারী, বে-সরকারী কিংবা সায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত থাকলে ৷

গ) কোন সদস্য কার্য নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে নির্বাচনের পূর্ববর্তী বছর পর্যন্ত সমিতির চাদা পরিশোধ না করলে !

ঘ) সমিতির কোন বই দেনা থাকলে (তবে খসড়া ভোটার তালিকা প্রণয়নের ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে নেওয়া বই আদালতে জমা রয়েছে মর্মে প্রমাণিত হলে তা এই দেনার আওতায় পরবে না) ৷

ঙ) টেলিফোন কলচার্জ, ফেরত না দেওয়া বই এর মূল্য ও জরিমানা বা সমিতির অন্য যে কোন প্রকার দেনা যথা সময়ে পরিশোধ না করলে এবং বার পেপার ব্যবহার না করলে !

চ) কোন আইনজীবীর সদস্য পদ স্থগিত থাকলে ৷

ছ) বার্য্যক্য জনিত কারনে কিংবা অসুস্থ্যতা হেতু কোন বিজ্ঞ আইনজীবী নিয়মিত আইন পেশায় নিয়োজিত থাকতে না পারলে এবং সমিতির সকল পাওনা নিয়মিত পরিশোধ করা থাকলে ঐ সদস্যকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া যাবে না৷

জ) নির্বাচনের সময়ে বিদ্যমান কার্য নির্বাহী পরিষদের (পূর্ববর্তী পরিষদের) সাধারণ সম্পাদক (প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক) যথা সময়ে এবং যথা নিয়মে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে এটা ঐ সম্পাদকের চরম দায়িত্ব অবহেলা এবং সমিতির কার্য পরিচালনার ব্যাঘাত সৃষ্টির প্রচেষ্টা মর্মে পরিগণিত হবে এবং ঐরূপ আচরণের দায়ে তিনি পরবর্তী বছর ভোটার হতে পারবেন না৷

Rule 18-19

বিধি নং-১৮ নির্বাচনী আচরণ বিধিঃ
নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী সকল প্রার্থীগণকে অবশ্যই নির্বাচনী আচরণ বিধি মান্য করতে হবেঃ

ক) আইন পেশার মর্যাদা ও ঐতিহ্য অক্ষুন্ন রাখার উদ্দেশ্যে কোন প্রার্থী কোন প্রকার নির্বাচনী পোষ্টার, প্রচারপত্র, প্লাকার্ড, মাইক্রোফোন বা মিছিলের মাধ্যমে নির্বাচনের প্রচার কার্যক্রম চালাতে পারবে না ৷ তবে প্রার্থীদের পরিচয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মকান্ড সংক্রান্ত লিফলেট প্রচার পত্র রূপে গণ্য হবে না ।

খ) কোন প্রার্থী কোন উপহার সামগ্রী বা অন্য কোন কিছুর বিনিময়ে নিজের অনুকূলে ভোট দেয়ার জন্য কোন ভোটারকে উদ্ভুদ্ধ করতে পারবেন না ৷

গ) কোন প্রার্থী অন্য কোন প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করতে পারবে না ৷

ঘ) আইনজীবী ছাড়া অন্য কোন বহিরাগত ব্যক্তি কোন প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নিতে পারবেন না ৷ এবং রাত ১২.০০টার পর কোন নির্বাচনী প্রচারনা চালানো যাবে না।

ঙ) নির্বাচন উপ পরিষদের কোন অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে কার্য নির্বাহী পরিষদ তৎ বিষয়ে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে !

চ) কোন প্রার্থীর বিরুদ্ধে উল্লিখিত কোন প্রকার লিখিত অভিযোগ উত্থাপিত হলে নির্বাচন উপ পরিষদ সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশের মাধ্যমে কারণ দর্শীনোর নির্দেশ প্রদান করবেন এবং অভিযোগ প্রামাণিত হলে তার প্রার্থীতা বাতিল করে প্রার্থী তালিকা থেকে তার নাম কর্তন করে দেবেন ৷ এ বিষয়ে নির্বাচন উপ পরিষদের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত মর্মে গণ্য হবে |

বিধি নং -১৯ অত্র সমিতির বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচন ব্যাতিরেকে সকল ভোটারের সর্বসম্মত সমঝোতার ভিত্তিতে কার্যকরি কমিটি গঠন করা যেতে পারে ।